আধুনিক চিকিৎসার দিক থেকে ফিজিওথেরাপি ও
কিন্তু আজকাল পিছিয়ে নেই । অনেকেই ব্যথা কমানর জন্য বিকল্প ভাবে বিনা ঔষধের
চিকিৎসা খুছছেন বাড়িতে বসেই । এর উপকারও মন্দ হচ্ছে না , ব্যথা-বেদনার দিক থেকে ,
ম্যস্ ল ও হাড় সংক্রান্ত ব্যপারেও বিনা ঔষধে অনেক ক্ষেত্রে সমস্যা সমাধান হয়ে যায়
। শীত কাল আসন্ন , এই ঠাণ্ডা আবহাওয়ায় ড্রাই হিট এবং সাউন্ড ওয়েভ , শর্ট ওয়েভ, লং
ওয়েভ , প্রভিতি মেসিনের ব্যবহার ফিজিওথেরাপিস্ট রা জানেন এবং রোগীদের পক্ষে খুবই
আরামদায়ক ও আরগ্যকারী চিকিৎসা তবে অনেকেই মনে করেন ফিজিওথেরাপি অপেক্ষা মেডিসিনই
ভাল । শীত এখনও অনেক দেরী , বাজারে অনেক ফিজিও ক্লিনিকের পাশাপাশি বাড়িতে ফিজিও
চিকিৎসা করানোর প্রবনতা আজকাল বেড়েছে তাই ডাঃ বিশ্বজিৎ বর্মণের - হোম ভিসিট
সার্ভিসের জনপ্রিয়তাও নিঃসন্দেহে বেশী , অনেকে এই শীতের মরশুমে বডী ম্যস্যাজ এ নাম
লিস্টিং করাতে শুরু করেছেন , সে সার্ভিস টাও মন্দ নয় , শরীরের ও ত্বকের অনেক
উপকারী ।
শিলিগুড়ির সমাজসেবক পরিমল
মণ্ডল বলেন পরিচিত ফিজিওথেরাপিস্ট পাওয়া গেলেও সঠিক মেডিক্যাল পদ্ধ্যতিতে চিকিৎসা পরিষেবা
পাওয়া বিরল কিন্তু হোম ভিসিট সার্ভিসের এখানে
দেখলাম ফিজিও পাশকরা এবং সবই প্রোফেশনাল সবার গ্রহণযোগ্য
অন্যদিকে প্রতিদিনের রাস্তাঘাট
জ্যম, গাড়ি পারকিং সমস্যা তার উপর ঘন্টার পর ঘন্টার প্রতিক্ষা ।রোগীর সাথে পরিবারের
ও ভোগান্তির শেষনেই । সাথে সাথে সঠিক পরিসেবা পাবার কনও উপায় নেই । এইরখম আধুনিক সুবিধা
পেলে সমস্যার সমাধান অনেকটাই হয় । জানাচ্ছেন শিলিগুড়ির সাধারণ জনগন ।
কিছু মানুষ
দিনের পর দিন রাত্রি জেগে কাজ করেন, যে সময় তাদের গভীর ঘুমের প্রয়োজন অথবা রাতের বেলা
অল্প ঘুমিয়ে দিনের বেলায় বেশী ঘুমানর চেষ্টায় থাকেন তাদের মানুষিক ও শারীরিক রোগ অন্যান্য
সাধারণ মানুষের থেকে তুলনামুলক বেশী । রাতের তুলনায় দিনে পর্যাপ্ত ঘুম না আসাই স্বাভাবিক।
ফলে দৈহিক স্নায়ুতন্ত্র বিশ্রাম না পেয়ে অধিক পরিশ্রম করে, সবচেয়ে ভয়ানক বিষয় হল এরফলে
দৈহিক স্নায়ুতন্ত্র একসময় হঠাৎ সব কাজ বন্ধ করে দেয় এবং মৃত্যু ঘটে । রাতের পর রাত জেগে যতই পরিশ্রম করুন না কেন আসলে
আপনি আপনাকেই ঠকাচ্ছেন । অফিশিয়াল কাজে রাতের বেলা যতই উচ্চ পাওয়ার লাইটে কাজ চলুক তা কখনই দিনের আলোর মত উপকারী নহে , রাতের
অন্ধকার চলে যাবার সাথে সাথেই সূর্য প্রবেশ করতে থাকে ঠিক তখনই মানব শরীরেও প্রাকৃতিক
চুম্বকীয় তরঙ্গে তার প্রত্যক স্নায়ুসমষ্টি ফুলের পাপড়ির মত সতেজ হতে থাকে, দিনের আলোর
সাথে আমাদের মনের তরঙ্গও ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া করে তা বহু ভাবে বিজ্ঞান প্রমান করেছে
। সূর্যের তেজে মানব মস্তিস্কের সেরটিনিন সক্রিয় হয়ে ওঠে, ঘুম পালিয়ে যায় কিন্তু যারা
সারারাত কাজ করে ক্লান্ত হয়ে দিনের বেলা ঘুমিয়ে পরেন তাদের সেরটিনিন সঠিক ভাবে সক্রিয়
থাকে না তাই একপ্রকার ঝিমুনি ভাব থেকেই যায়।
যেসব ব্যক্তি শরীরের প্রাকৃতিক ঘড়িকে পাল্টে ফেলেছেন তাঁদের আলঝাইমার রোগে আক্রান্ত
হবার সম্ভাবনা ৯০ শতাংশ বেশী, শুধু তাইনয় সেরিব্রভাস্কুলার, পারকিন্সন ডিজিজ এর মত
একগাদা দাঁত ভাঙ্গা রোগের নামের তালিকায় অনায়াসে চলে আসবেন ।
ইনহেলার কিভাবে ব্যবহার করবেন ?
ওষুধটি আপনার ফুসফুসে পৌঁছেছে তা নিশ্চিত করার জন্য ইনহেলার ব্যবহার করার সময় সঠিক কৌশল অপরিহার্য।
আপনার ডাক্তারের নির্দেশাবলী অনুসরণ করুন এবং আপনার ইনহেলারটি সরাসরি আপনার মুখের মধ্যে বা আপনার মুখ থেকে এক থেকে দুই ইঞ্চি দূরে, অথবা একটি স্পেসার সংযুক্তি দিয়ে ব্যবহার করুন।
সঠিক ইনহেলার ব্যবহারের জন্য এখানে ধাপগুলি হচ্ছে –
মুখ থেকে ক্যাপটি সরান এবং কোন সমস্যা আছে কিনা দেখুন।
কয়েক সেকেন্ডের জন্য জোরে ইনহেলারটি ঝাঁকান।
একটি গভীর শ্বাস নিন এবং তারপর সম্পূর্ণরূপে শ্বাস ছাড়ুন।
দাঁড়ানো বা সোজা হয়ে বসার সময় ইনহেলার রেখে ধীরে ধীরে শ্বাস নিতে শুরু করুন এবং বোতাম টিপুন। এটি চাপার পরে শ্বাস নেওয়া চালিয়ে যান।
৫ থেকে ১০ সেকেন্ডের জন্য আপনার শ্বাস ধরে রাখুন, তারপর আপনার মুখ দিয়ে ধীরে ধীরে শ্বাস ছাড়ুন।
আপনি যদি সফলভাবে ওষুধটি শ্বাস-প্রশ্বাস গ্রহণ করেন তবে আপনার মুখে কোন শক্তিশালী রাসায়নিক স্বাদ লক্ষ্য করতে পারবেন না, যদিও সামান্য আফটারটেস্ট থাকা স্বাভাবিক।
হাঁপানির চিকিৎসার লক্ষ্য কি ?
· লক্ষণগুলি দেখা দিলে দ্রুত ভালো করা
· উপসর্গ এবং আক্রমণ প্রতিরোধ করুন
· আপনার ঘুম এবং কার্যকলাপের অবস্থার উন্নয়ন
হাঁপানির জন্য আপনার ডাক্তার যে চিকিৎসার পরামর্শ দেবেন তা সম্ভবত আপনার বয়স, হাঁপানির ধরন, আপনার অবস্থার তীব্রতা এবং আপনার শরীর কীভাবে বিভিন্ন বিকল্প চিকিৎসা গুলিতে সাড়া দেয় তার উপর নির্ভর করবে। আপনার হাঁপানির উপসর্গ নিয়ন্ত্রণের জন্য সঠিক চিকিৎসার সন্ধানের জন্য বিভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহার করার প্রয়োজন হতে পারে এবং আপনার জন্য কী কাজ করে তা সময়ের সাথে পরিবর্তন হতে পারে।
সাধারণত অনেকেই কনও
সমস্যা অনুভব করেনা , এটি একপ্রকার নীরব পরিস্থিতি কিন্তু হঠাৎ করেই সমস্যা শুরু হয়ে যায় । মাঝে মাঝে মাথা ব্যথা,মাথা ঘোরা , নাক
দিয়ে রক্ত পড়া, বুকে চাপ ধরা , অনিদ্রা , এই গুলই উচ্চ রক্তচাপের লক্ষণ এবং যত
তাড়াতাড়ি সম্ভব ডাক্তারের কাছে যাওয়া প্রয়োজন । আপনার উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা হয়েছে
কিনা তা পরিমাপ করা একান্ত প্রয়োজন ।
এই রক্ত চাপ দুই ভাবে
হতে পারে- [১] জন্মগত , মানে কিছু রোগী উত্তরধিকার সুত্রে উচ্চ রক্তচাপের শিকার হন
, [২] আবার কেউ স্বাভাবিক ভাবে অথবা অনিয়ন্ত্রিত খাওয়াদাওয়া, জীবনযাত্রা প্রণালী
কারণে উচ্চ রক্তচাপের শিকার হন । বেশীরভাগ
রোগীই আজকাল ২নং কারণের ভুক্তভুগী ।
শারীরিক ক্রিয়াকলাপের অভাব এবং অস্বাস্থ্যকর
পরিবেশ আপনার শরীর ও মনের উপর চাপ পরতে পারে , কখনো কখনো বার্ধক্যজনিত কারণে আভ্যন্তরীণ যন্ত্রপাতি খারাপের কারণে এই
রোগের শিকার হতে পারেন । শরীরের লবন ও জলের তারতম্য ঘটার কারনেও উচ্চ রক্তচাপের শিকার হতে পারেন অথবা অতিরিক্ত ওজন বড়ে যাবার কারণে বিপদের
ঝুঁকি থেকেই যায় ।
উচ্চ রক্তচাপের কারণে আপনার ডাক্তারবাবু অনেকগুলো পরীক্ষাও করাতে
পারেন, যেমন- ই সি জি , কারডিওগ্রাম ,রক্ত পরীক্ষা , প্রসাব পরীক্ষা , আল্ট্রা
সাউন্ড , ইত্যাদি । একজন ব্যক্তির সাধারণ রক্ত চাপের পরিমাণ ১২০/৮০ mmhg হয় I
উচ্চ রক্তচাপের জন্য
ঔষধের পাশাপাশি বিকল্প ব্যবস্থা ও নেয়া দরকার যেমন – সঠিক ছন্দ ময় জীবনযাত্রা
আপনার হার্ট কে ভাল রাখবে , নিরামিষ এবং
সহজপাচ্য খাবার সংখ্যা বাড়িয়ে আমিষ কম করতে পারেন , সোডিয়াম এবং সুগার যত কম
অথবা না এর বরাবর করে ফেলুন ।
![]() |
| at home |
বালিশের উচ্চতা ও কি সমস্যা হতে পারে ?
আমরা
কেউই সারা রাত একভাবে ঘুমিয়ে থাকি না কখনো কাত হয়ে, চিত হয়ে, কখনও উপুড় হয়ে ঘুমই ।
অতিরিক্ত উঁচু অথবা নিচু বা একদম বালিশ ছাড়া কোনটাই সঠিক আরামদায়ক নয়। বালিশের উচ্চতা
এমন হওয়া দরকার যাতে কাঁধ ও ঘাড় না বাঁকিয়ে সোজা ও সামন্তরাল থাকে । আপনি যদি একপাশে
ফিরে শুয়ে থাকতে অভ্যস্ত হউন তাহলে বিছানাতে শোবার সময় মাপমত বালিশের উচ্চতা রেখে ঘুমন।
যদি চিত হয়ে ঘুমতে ভালবাসেন তাহলে আপনার ঘার ও বালিসশের উচ্চতা সামন্তরালে রেখে দেখুন
আরাম লাগছে কিনা!
বালিশ
এমন ভাবে ব্যবহার করুন যেন শোবার সময় আপনার ঘাড় আরামদায়ক ভঙ্গিমায় থাকে । আপনার শারীরিক
গঠন অনুযায়ী
বালিশের
ওজন এবং উচ্চতা নির্ভর করবে। যেসব বালিশ একদম নরম সেগুলো আপনার ঘাড়ের সঠিক অবস্থান
নির্ণয় করেনা । কাত হয়ে শুলে দুটো হাঁটুর মাঝখানে আর একটি বালিশ রাখুন তাতে আপনার মেরুদণ্ড
সামন্তরাল এবং আরাম থাকবে, কাত হয়ে শুলে মাথার বালিশ টা এমন পজিসানে রাখুন যাতে ঘাড়
এবং মাথা সামন্তরাল থাকে। চিত হয়ে শুলে মাথার নীচে ২টি বালিশ কখনই দেয়া যাবেনা তাতে
মাথা উঁচু হয়ে থাকবে এবং ঘাড়ে ব্যথা শুরু হতে পারে। উপুড় হয়ে শুলে বালিশের উচ্চতা কম
রাখুন যাতে ঘাড় এবং মাথা একই সরলরেখায় থাকে। বালিশ বেশীদিন পুরান হয়ে গেলে পাল্টে ফেলুন।
physiotherapy & speech therapy
মনের জিম কোথায় আছে ? অসুস্থ মনেরও কি ব্যয়াম হয় ?
এটাই ত চিন্তার বিষয় , উল্টো পাল্টা চিন্তাতেই
দিন রাত বিভর হওয়া মন যে কিছুতেই বাগে আসেনা, মন যেখানে যেতে চায় আপনি সেখানেই চলে যান, আপনি প্রকাশ্যে
যতই তাকে গালাগালই দেন না কেন, মন কিন্ত তাকেই চায় কোনটা সঠিক কোনটা বেঠিক সবটাই তালগোল
পাকান । মনটাকে নিয়ে অনেকেই পাগল পাগল অবস্থার
সম্মুখীন । লোককে পরামর্শ দেবার সময় বলতে দ্বিধা করিনা যে- বেশী চিন্তা করনা, দুশ্চিন্তা
করনা, সবসময় পজিটিভ ভাব, মাথা ঠাণ্ডা রাখো এইসব ভাঁটের গল্প শুনিয়ে রাতের বেলায় নিজেই
নিজেকে একই গোলক ধাঁধায় আটকে পড়াটাও আসলে একধরণের রোগ । আর এই রোগ থেকে বাঁচতেই ডাক্তারের
শরণাপন্ন তারপর গাঁদা গাঁদা ঔষধের নেশায় বুঁদ থাকা । এই শক্তিশালী ভাবনাকে নিজের
বসে আনাটাই আসল কেরামতি ,তবে তা তো এক দু দিনের
অভ্যসে সম্ভব নয়, দীর্ঘ দিনের অধ্যাবসায়ই সেটা সম্ভব হতে পারে।
মনে রাখা আর ভুলে যাওয়া এই দুটো প্রয়জনিয়
কাজই কিন্তু মনের এই পার্ট থেকে চালিত হয় তাই কি মানে রাখবেন কি ভুলে যাবেন তার চাবিকাঠি
নিজের কাছেই থাকা খুব জরুরি। এই দুর্বল যায়গা কে শক্তিশলী করার কিছু কিছু বিষয় আলোচনাতে
রাখলাম-
সবার আগে খাবারের দিকে নজর দিন-
যাকিছু উত্তেজক মানে যা আপনার শরীরের
উত্তেজনা বাড়ায় তা বন্ধ করুন না পারলে ধীরে ধীরে কমিয়ে ফেলুন , কারন শরীরের উত্তেজনাই
মনের উত্তেজনা বাড়ায়। যেকোনো চাবানোর জিনিস
যেমন – সুপরই, চকলেট , চুইংগাম জাতীয় খাবার মুখে রাখতে পারেন , চাবানোতে অভ্যস্ত
অনেক মানুষেরই ভাল ফল হয়েছে।
ব্যস্ত থাকুন –
নিজেকে উন্নয়ন মূলক কাজে ব্যস্ত রাখুন
,কিছুটা সময় আনন্দের জন্যও রাখুন তাতে ভাবনাগুলো কম থাকবে। ভাবনাগুলো যখন লাগাম ছাড়া
তখন ধ্যান করা একদমই ভুল কাজ , যোগাসন করুন , প্রাণায়াম করুন, হাঁটুন অন্তত ২০ মিনিট।
ভাবনাগুলো যখন লাগাম ছাড়া-
শান্ত হয়ে নিরিবিলি একটি জায়গায় বসুন
ভাবুন আপনার চিন্তা গুলো কতটা যুক্তি যুক্ত
এবং তার মুল্যয়ন সম্ভব কি না? সবচেয়ে ভাল হয় যদি ভাবনা গুল খাতায় লিখে ফেলেন এবং তার
প্রতিকার কিভাবে সম্ভব। যদি মনে হয় সবটাই অপ্রয়োজনীয় তাহলে ১০০ থেকে ১ অথবা ১০০০ থেকে
১ উল্টো দিক থেকে বলার চেষ্টা করুন। উলটো দিক থেকে মনে করার চেষ্টা একটি কঠিন এক্সারসাইজ
তাতে ব্রেইনের চিন্তা ভাবনার সেল গুলো কিছুটা স্বাভাবিক আচরণ করতে থাকে। কথায় বলে লোহা
লোহায় কাটে । চিন্তা দিয়ে চিন্তাকে কাটুন।